শরিফুল হাসান
কী মর্মান্তিক মৃত্যু! ছুটির দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রাইভেটকারে করে হয়তো কোথাও বেড়াতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। হঠাৎ রাজধানীর উত্তরায় বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নির্মাণকাজের গার্ডার ভেঙে পড়লো
সেই প্রাইভেটকারে। প্রাণ হারালো দুই শিশুসহ পাঁচজন মানুষ। এই বিআরটি প্রকল্প নিয়ে তো মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। সময় আর খরচ তো বাড়ছেই। আর এই পুরো প্রকল্পটা আমার কাছে উদ্ভট মনে হয়।
আচ্ছা রেললাইনের ওপর দিয়ে বিআরটি যেভাবে গেছে কখনো দুর্ঘটনা ঘটলে কে কাকে উদ্ধার করবে? আর এমন দুর্ঘটনা তো নতুন নয়। এর আগে ২০১২ সালে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের গার্ডার ভেঙে ২৯ জন নিহত, অর্ধশত আহত হয়েছিল।
ও হ্যা, চকবাজারে আগুন থেকেও আজ ছয় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আচ্ছা এগুলো কী শুধুই মৃত্যু নাকি হত্যাকাণ্ড! আচ্ছা সুশাসন আর জবাবদিহিতা এগুলো কবে আর আসবে এই দেশে? আর কতো মানুষ মরলে হুঁশ ফিরবে?



