এজেন্সি আর সিন্ডিকেটের মালয়েশিয়া

Spread the love

শরিফুল হাসান

২৫টি এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী প্রেরণে তিনি ছয় মাস আগে চিঠি লিখেছেন। এখনো সেই অন্যায় আবদারের গোঁ ধরে আছেন তিনি। আজকে এজেন্সি আর সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রশ্ন করলে ঔদ্ধত্যের সুরে তিনি বললেন, এজেন্সির সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ভাবার বিষয় নয়। মালয়েশিয়া সেটা ঠিক করবে। মালয়েশিয়ার মন্ত্রীসভা অনুমোদন দেবে। আমি খুবই অবাক হয়ে ভাবি, একজন মন্ত্রী কী করে এই ভাষায় কথা বলেন?

আচ্ছা বাংলাদেশের মন্ত্রী যেখানে আরও পাঁচ মাস আগেই বলেছেন প্রতিযোগ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ কোন সিন্ডিকেট না করে সবার জন্য উম্মুক্ত রাখতে চায়, বাংলাদেশের মন্ত্রী যেখােনে আজও প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকারের বিষয়ে কথা বলছেন সেখানে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী কীভাবে বলেন কয়টা এজেন্সি থেকে কর্মী নেবে এটা তাদের বিষয়? আপনারা কী আলু পটল নিয়ে কারবার করছেন নাকি মানুষ?

আপনারা ১০ টা ২৫ টা এজেন্সি নিয়ে নিজেরা সিন্ডিকেট করবেন আর কয়দিন পরপর বাংলাদেশের ওপর দায় চাপিয়ে শ্রমবাজার বন্ধ করে দেবেন তাই না? তা বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন জায়গা থেকে আপনারা সিন্ডিকেট করেন না কেন? বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি কর্মী নিয়োগে কোন সিন্ডিকেট হওয়া উচিত নয়।

স্বচ্ছভাবে কর্মী পাঠানো উচিত যাতে আমাদের লোকজনকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে যেতে না হয়। গিয়ে যেন বিপদে না পড়তে হয়। রাষ্ট্রের চেয়ে মানুষের চেয়ে সিন্ডিকেট কখনো বড় হতে পারে না। হওয়া উচিত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.