শরিফুল হাসান
মানবপাচারের মতো অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আজ পালিত হলো বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস। প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অপব্যবহার’-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ইউএন নেটওয়ার্ক অন মাইগ্রেশন-এর ‘কাউন্টার ট্রাফিকিং ইন পার্সনস টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ’ জাতীয় এই পরামর্শ সভার আয়োজন করে।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর অনুষ্ঠান হলো। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মানবপাচারের মতো ঘৃণ্য অপরাধের বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।
পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, সব পক্ষের যৌথভাবে কাজ করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানব পাচার প্রতিরোধের প্রতিশ্রুতির কথা জানান মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
মানব পাচার প্রতিরোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুস সালেহীন স্যার বললেন মানব পাচারের মত অপরাধের অবসান ঘটিয়ে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস, আইওএম বাংলাদেশ-এর মিশন প্রধান এবং বাংলাদেশ ইউএন নেটওয়ার্ক অন মাইগ্রেশনের সমন্বয়কারী আবদুসাত্তর এসয়েভ, বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স জেরেমি ওপ্রিটেসকো, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি চিফ অব মিশন স্কট ব্র্যান্ডন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক অংশীদার, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।



